Logo
শিরোনাম :
নবীগঞ্জে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে আ.লীগের সভাপতিসহ বহিষ্কার হলেন যারা… গ্রিসে দূতাবাসের উদ্যোগে বাংলাদেশিদের জন্য রন্ধন শিল্পের ওপর মৌলিক প্রশিক্ষণ আলোচনায় বর্তমান ইউপি সদস্য আরজদ আলী লাল-সবুজ সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে পঞ্চম মেধা-বৃত্তি অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে তেলের লরি ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ : নিহত ২ উৎসব মুখর পরিবেশে নবীগঞ্জের ১৩ ইউনিয়নে ৭১০ জনের মনোনয়ন দাখিল স্বাস্থ্যের ফাইল গায়েবের ঘটনায় তোলপাড় যুক্তরাজ্য বিএনপির সম্পাদকের শ্বশুড়কে মনোনয়ন দেয়ায় মানববন্ধন-বিক্ষোভ অব্যাহত হাজার হাজার মানুষের ভালবাসায় অশ্রুসিক্ত নয়নে মিয়া মোঃ ইলিয়াছের বিদায় যুক্তরাজ্য বিএনপির সম্পাদকের শ্বশুড় এওলা মিয়াকে মনোনয়ন দেয়ায় বিক্ষোভ

ভুল মোবাইল নম্বর লিপিবদ্ধ হওয়ায় ভাতা পাচ্ছেন না ৩ হাজার কার্ডধারী

জাগো নিউজ
জাগো নিউজ : শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১

তথ্য হালনাগাদের সময় ভুল মোবাইল নম্বর লিপিবদ্ধ হওয়ায় টাকা পাচ্ছেন না হবিগঞ্জ জেলার প্রায় ৩ হাজার কার্ডধারী সরকারি ভাতাভোগী। সমস্যার মুখোমুখি ভাতাভোগীরা এখন অনিশ্চয়তায় ভুগছেন।

সমাজসেবা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থবছরের হিসাবে হবিগঞ্জ জেলায় ১০ ধরনের স্থায়ী ভাতাভোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২১ হাজার ৩৫০ জন। আগে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে তিন মাস অন্তর তাদেরকে দেওয়া হতো ১৯ কোটি ৯০ লাখ ১৩ হাজার ৫শ ৫০ টাকা। কিন্তু গত অর্থবছরের শেষের দিকে ব্যাংক হিসাবের পরিবর্তে মোবাইল ব্যাংকিয়ের মাধ্যমে অর্থ প্রদানের সুবিধা চালু করে সরকার। এজন্য প্রত্যেক ভাতাভোগীর বিকাশ হিসাব নম্বর সংগ্রহ করে সমাজসেবা অধিদপ্তর। কিন্তু তথ্য লিপিবদ্ধ করার সময় ভুল মোবাইল নম্বর দিয়েছেন জেলার প্রায় ৩ হাজার ভাতাভোগী।

সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে নম্বরগুলোতে টাকা পাঠালেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিরত চলে যাচ্ছে। এজন্য গত অর্থবছরে শেষ তিন মাসের টাকা পাননি তারা।

বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুর রউফ বলেন, বয়স্ক ভাতা ও ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে পাওয়া টাকায় তার সংসার চলতো। কিন্তু তিন মাস টাকা না পাওয়ায় সংসারে অভাব নেমেছে। দ্রুত মোবাইল নম্বর সংশোধনের আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

পুটিজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শামছুদ্দিন আহমেদ বলেন, তার ইউনিয়নে ১২৭ জন ভাতাভোগী এ সমস্যায় পড়েছেন।

প্রায়ই তারা পরিষদে এসে ভিড় করেন। তিনিও দ্রুত তথ্য সংশোধনের দাবি জানান।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সিরাজুম মনির আফতাবী বলেন, প্রায় তিন হাজার মানুষের মোবাইল নম্বর ভুল হয়েছে। মাঠপর্যায়ে পুরোদমে কাজ চলছে ও ইতোমধ্যে দুই হাজার মানুষের মোবাইল নম্বর সংশোধন করা হয়েছে। বাকি এক হাজার সংশোধন হলে সবাই আগের কিস্তিসহ বর্তমান কিস্তির টাকাও পেয়ে যাবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য সংবাদ
ThemeCreated By ThemesDealer.Com
x
error: কপি করা নিষেধ !
x
error: কপি করা নিষেধ !