Logo

পানি বাড়লে কুশিয়ারা বাঁধ ভেঙে যাওয়া আশংকা : পরিদর্শনে ইউএনও

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
জাগো নিউজ : শুক্রবার, জুলাই ২, ২০২১

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কুশিয়ার নদীর পানি দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে নানা আতংক উৎকন্ঠায় সময় পাড় করছেন নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ও পাহাড়পুরসহ আশপাশের গ্রামবাসী । পানি আরও বৃদ্ধি পেলে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশংকাও রয়েছে।

শুক্রবার (২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মহি উদ্দিন কুশিয়ার নদীর তীরবর্তী দীঘলবাক ইউনিয়নের দীঘলবাক গ্রাম ও আউশকান্দি ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ পরিদর্শন করেন।

জানা যায়, কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে আতংক দেখা দিয়েছে নদীর তীরবর্তী বসবাসকারী মানুষের মনে। কুশিয়ারা পানিও ক্রামাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেলে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মহি উদ্দিন, দীঘলবাক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ এওলা মিয়া, আউশকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান হারুনসহ জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সরেজমিন দীঘলবাক ইউনিয়নের দীঘলবাক গ্রাম ও আউশকান্দি ইউনিয়নে পাহাড়পুর গ্রামের কুশিয়ারা নদীর ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ পরিদর্শন করেন।

দীঘলবাক গ্রামের এলাইছ মিয়া জানান, কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি দেয়ার ফলে কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আতংকের মধ্যে রয়েছি। নদীর পাড়ের অনেকাংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। 

দীঘলবাক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবু সাঈদ এওলা মিয়া বলেন, ‘নদীর পানি যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এই দ্বারা অব্যাহত থাকলে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মহি উদ্দিন বলেন- ‘ নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যদি ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে তাহলে বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশংকা রয়েছে ‘। ইতিমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে আলাপ হয়েছে। তারা জানিয়েছে বাঁধ এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শাহানেওয়াজ তালুকদার বলেন, ‘বর্তমানে কুশিয়ারার পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ‘


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য সংবাদ
ThemeCreated By ThemesDealer.Com
error: কপি করা নিষেধ !
error: কপি করা নিষেধ !