Logo
শিরোনাম :
পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা : সংবাদ সম্মেলন নবীগঞ্জে বাবা-মাকে নির্যাতন : ছেলের ১ বছরের কারাদণ্ড ‘মাজারের টাকা সুরক্ষা দিচ্ছে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের আসামীদের’ – ব্যারিস্টার সুমন নোয়াগাঁও তাণ্ডব : ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে উপজেলা বিএনপি নোয়াগাঁও’র ১৩টি বাড়ি-ঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগকারীদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন নবীগঞ্জে পুলিশের বিরুদ্ধে আসামী গ্রেফতার না করার অভিযোগ ! ৬৫ বছরে ফের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন রেলমন্ত্রী ইমদাদুর রহমান মুকুলসহ গ্রেফতারকৃতদের মুক্তির দাবিতে প্রবাসীদের প্রতিবাদ সভা নবীগঞ্জে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা নয়া সেনাপ্রধান শফিউদ্দিন আহমেদ

নবীগঞ্জ পৌরসভা ভবনের ভাড়া বকেয়া ‘অর্ধকোটি টাকা’!

মতিউর রহমান মুন্না
জাগো নিউজ : শনিবার, ২ জানুয়ারি, ২০২১

দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের পরিত্যক্ত ভবনে ভাড়াটে হিসেবে কার্যক্রম চালাচ্ছে নবীগঞ্জ পৌরসভা। ভাড়া খেলাপি হিসেবে তালিকাভূক্ত পৌরসভার বকেয়া দিনদিন বেড়েই চলছে। কিন্তু এবার ভাড়ার টাকা আদায়ের উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা পরিষদ।

এনিয়ে উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায়ও আলোচনা হয়েছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বলছেন- পৌরসভার কাছে বকেয়া ভাড়া প্রায় ‘অর্ধকোটি ’টাকার মতো। বকেয়া পরিশোধের জন্য পৌরসভায় অফিসিয়াল নোটিশও পাঠানো হয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭ সালে নবীগঞ্জ পৌরসভা গঠন করা হয়। শুরুতে দুই বছর প্রশাসক হিসাবে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করেন। এরপর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দায়িত্ব নেয়ার পর গত ২০০৫ সালে জুলাই মাসে পৌরসভাকে ‘গ থেকে ‘খ’ শ্রেণীতে ও ২০১৩ সালে খ থেকে ক শ্রেনীতে উন্নতিকরণ করার ঘোষণা দেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। কিন্তু পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর যথেষ্ট সরকারী জায়গা না পেয়ে উপজেলা পরিষদের পরিত্যক্ত ভবনকে ভাড়া নেয় পৌরসভা। সেখানে এক সময় আদালত ও কারাগার ছিল বলে জানা গেছে।

উপজেলা পরিষদের প্রায় ২০ শতাংশ জায়গায় ভাড়া হিসেবে দখল নেয়ার পর থেকেই এক তলা জরাজীর্ণ ভবনের সাতটি কক্ষে ‘ভাড়ায় চলছে’ পৌরসভার কার্যক্রম। কিন্তু শুরু থেকেই ভাড়া না দেয়ায় দিনদিন এর হিসেব বাড়তে থাকে।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম জাগো.নিউজকে বলেন, ‘উপজেলা পরিষদের একটি ভবনে ভাড়া নিয়ে নবীগঞ্জ পৌরসভার কার্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পৌরসভার কার্যক্রম শুরুর পর উপজেলা পরিষদকে ভাড়া হিসেবে কোনো টাকা পরিশোধ করা হয়নি। বকেয়ার পরিমান অনুমানিক প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা হবে। এনিয়ে উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায়ও আলোচনা হয়েছে। ভাড়ার জন্য পৌরসভাকে তাগিদ দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে বকেয়া ভাড়া পরিশোধের জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছে।’

তবে ‘ভাড়া’র বিষয়টি মানতে নারাজ নবীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমেদ চৌধুরী। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন- ‘উপজেলা পরিষদ পৌরসভার কাছে টাকা পাবে এটা প্রশ্নই উঠেনা। এমন তথ্যও তার জানা নেই।’ তিনি বলেন, ‘এটা একটি সরকারী অফিস। সরকারের প্রয়োজনে, জনগনের প্রয়োজনেই সরকার এখানে বসিয়েছে, কাজেই ভবন বাবত সরকার পৌরসভার কাছে টাকা পাবে এমন তথ্য ভিত্তিহীন।’

এদিকে সচেতন মহলের ভাষ্য- পৌর কর্তৃপক্ষ এখনো নিজেদের কার্যালয়ের ভবনই করতে পারেননি। জনগনের জন্য কি করবেন। নির্বাচনের সময় নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও কেউ তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। পৌর কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের কাছ থেকে নিয়মিত কর আদায় করেন টিকই কিন্তু পৌর পরিষদ ভবনের ভাড়া বকেয়া অর্ধকোটি টাকা, এটি খুবই লজ্জাজনক।

গত ১ জানুয়ারি জাগো.নিউজে প্রকাশিত ১ম পর্ব।

১।  নবীগঞ্জ পৌরসভার নেই নিজস্ব ভবন!

৩ জানুয়ারি প্রকাশিত হবে ৩য় পর্ব


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য সংবাদ
ThemeCreated By ThemesDealer.Com
error: কপি করা নিষেধ !
error: কপি করা নিষেধ !