Logo
শিরোনাম :
পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা : সংবাদ সম্মেলন নবীগঞ্জে বাবা-মাকে নির্যাতন : ছেলের ১ বছরের কারাদণ্ড ‘মাজারের টাকা সুরক্ষা দিচ্ছে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের আসামীদের’ – ব্যারিস্টার সুমন নোয়াগাঁও তাণ্ডব : ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে উপজেলা বিএনপি নোয়াগাঁও’র ১৩টি বাড়ি-ঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগকারীদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন নবীগঞ্জে পুলিশের বিরুদ্ধে আসামী গ্রেফতার না করার অভিযোগ ! ৬৫ বছরে ফের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন রেলমন্ত্রী ইমদাদুর রহমান মুকুলসহ গ্রেফতারকৃতদের মুক্তির দাবিতে প্রবাসীদের প্রতিবাদ সভা নবীগঞ্জে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা নয়া সেনাপ্রধান শফিউদ্দিন আহমেদ

নবীগঞ্জে শালী-দুলাভাই’র দৈহিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় মাকে হত্যা !

করেসপন্ডেন্ট,নবীগঞ্জ
জাগো নিউজ : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২০

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ছলেমা হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘন্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। দুলাভাইয়ের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় মাকে গলাকেটে হত্যা করে মেয়ে ও জামাতা। এ ঘটনায় তাৎক্ষনিকভাকে ঘাতক মেয়ে ও জামাতাকে আটক করেছে পুলিশ।

দুই ঘাতক কর্তৃক হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি অনুযায়ী বুধবার দুপুরে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এমন তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার জানান, নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও গ্রামের হিরন মিয়ার বড় মেয়ে জেসমিন আক্তারকে মোগল মিয়ার সাথে বিয়ে দেন। বিয়ের কয়েক বছর পর জেসমিন আক্তার জিবিকার তাগিদে সৌদি আরব চলে যায়।

এ সুযোগে মোগল মিয়া তার শালিকা শান্তি বেগমের সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পরে। একাধিকবার তারা দুইজন শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এক সময় তাদের শারীরিক সম্পর্ক চলাকালে নিহত ছলেমা বেগম (মোগল মিয়ার শ্বাশুড়ি ও শান্তি বেগমের মা) দেখে ফেলেন।

এ সময় মেয়ে ও জামাতার মান সম্মানের কথা চিন্তা করে তিনি কাউকে কিছু না জানিয়ে দুজনকে কঠোরভাবে সতর্ক করে দেন, আর যাতে তারা কোনদিন অনৈতিক কাজ না করে । কিন্তু এরপরও তাদের অবৈধ মেলামেশা চলতে থাকে।

ঘটনার দিন (১ আগস্ট) ঈদের রাতে তারা আবারও অবৈধ মেলামেশা করতে থাকে। ছলেমা বেগম তাদেরকে দেখে চিৎকার করেন। এ সময় জামাতা মোগল মিয়া ও ছোট মেয়ে শান্তি বেগম মিলে ছলেমা বেগমের মুখ চেপে ধরে ঘরে থাকা দা দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে।
তার মৃত্যু নিশ্চিত করে মোগল মিয়া নিজ ঘরে গিয়ে রক্তমাখা কাপড় পরিবর্তন করে ঘুমিয়ে যান এবং শান্তি বেগম ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার শুরু করতে থাকেন। এলাকাবাসী এগিয়ে এলে তিনি জানান তার মাকে ডাকাতদল গলা কেটে হত্যা করেছে।

পুলিশ সুপার আরও জানান, এ ঘটনায় নিহতের স্বামী হিরন মিয়া বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দুই ঘাতকসহ চারজনকে আটক করেছে। আটককৃতরা হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

উল্লেখ্য, ঘটনার পরপরই নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেলের এসএসপি পারভেজ আলম চৌধুরীর নের্তৃত্বে নবীগঞ্জ থানার ওসি আজিজুর রহমানসহ একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘাতকদের আটক করেন। পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় শিকার করে।
এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনায় হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও দ্রুত সময়ের মধ্যে খুনের রহস্য উদঘাটন করায় পুলিশ প্রশাসেন প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন স্থানীয় লোকজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য সংবাদ
ThemeCreated By ThemesDealer.Com
error: কপি করা নিষেধ !
error: কপি করা নিষেধ !