Logo
শিরোনাম :
স্বাধীনতার ৪৯ বছর পরেও শহীদ ধ্রুবের কবর শনাক্ত করা যায়নি ! বানিয়াচংয়ে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা করা হবে – আবুল কাশেম চৌধুরী তাহিরপুর হানাদার মুক্তি দিবস পালিত নবীগঞ্জ পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা : মনোনয়ন প্রত্যাশী ৮ জন বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে সিরাক বাংলাদেশের ভার্চুয়াল আলোচনা সভা ! ১৬ জানুয়ারি নবীগঞ্জসহ ৬১ পৌরসভার নির্বাচন ! গজনাইপুর ইউপি : চাল আত্মসাতের দায়ে মুকুল বরখাস্ত : ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরু নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাচন ২৯ ডিসেম্বর বানিয়াচংয়ে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড : ১৪ টি দোকান পুড়ে ছাঁই এমপি আবু জাহিরকে তাক লাগানো সংবর্ধনা দিল গোপায়া ইউনিয়নবাসী

নবীগঞ্জের হামজা হত্যাকাণ্ড নিয়ে এসপির প্রেস ব্রিফিং : আদালতে আসামীদের স্বীকারোক্তি

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট / ২৬৯ বার পঠিত
জাগো নিউজ : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২০

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ভাগ্নের সাথে ঝগড়ারই কাল হয়েছে শিশু আমীর হামজার। সামান্য এ ঝগড়ার জের ধরেই তাকে হত্যার পর বস্তবন্দি করে লাশ গুমের চেষ্টা করেছে চাচাতো ভাই ও বোন। হত্যাকান্ডের বিষয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে নিহতের চাচাতো ভাই জুনাইদ আহমদ (২০) ও বোন রোজিনা বেগম (২৫)।

আদালতে তারা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা।

তিনি জানান, ওই উপজেলার দাউদপুর গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে আমীর হামজা (৩) এর সাথে প্রায়ই তার চাচাতো বোন রোজিনা বেগমের ২ বছর বয়সী মেয়ে সুমাইয়ার ঝগড়া হতো। বিষয়টি সহ্য করতে পারেনি রোজিনা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন তিনি। এক পর্যায়ে নিজের ভাই জুনাইদ আহমদকে নিয়ে শিশু চাচাতো ভাই আমীর হামজাকে হত্যার পরকল্পনা করেন। ২ নভেম্বর বিকেলে পরিকল্পনা অনুযায়ী আমীর হামজাকে ডেকে নিয়ে মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে বালিশ চাপা দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ বস্তাবন্দি করে নিজের ঘরে খাটের নিচে ফেলে রাখা হয়। এদিকে আমির হামজার মা বাবা তাকে না পেয়ে খোঁজাখুজি শুরু করেন। কেউ যাতে সন্দেহ না করে তাই জুনাইদও খোঁজাখুজিতে অংশ নেয়। রাতে রোজিনা খাটের নিচ থেকে মৃত আমীর হামজার বস্তাবন্দি মরদেহ বের করে বাড়ির সিএনজি অটোরিকশা গ্যারেজে ফেলে রাখেন।

ওই রাতেই খরব পেয়ে পুলিশ গিয়ে সেখান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেল) পারভেজ আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে নবীগঞ্জ থানার ওসি আজিজুর রহমানসহ পুলিশের একটি টিম রহস্য উদঘাটনে তৎপরতা চালায়। সন্দেহভাজন হিসেবে জুনাইদ আহমদকে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এক পর্যায়ে সে হত্যাকান্ডের বিষয়টি স্বীকার করে। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ রোজিনাকে আটক করে। পরে তারা ঘটনার বিষয়টি স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তি দিতে দিতে আগ্রহ প্রকাশ করে। এর প্রেক্ষিতে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা বেগমের আদালতে তাদের স্বীকারোক্তি রেকর্ড করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী ও নবীগঞ্জ থানার ওসি আজিজুর রহমান।

এর আগে এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুর রশিদ বাদি হয়ে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।


অন্যান্য সংবাদ
Theme Created By ThemesDealer.Com