Logo
শিরোনাম :
নবীগঞ্জে টমটম চুরি : পালাতে গিয়ে জনতার হাতে চোর ধরাশয়ী নব নির্বাচিত মেয়র সেলিমের সাথে আইনজীবীদের শুভেচ্ছা বিনিময় নবীগঞ্জে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা ভাইয়ের কুড়ালের আঘাতে ভাইয়ের মৃত্যু সাতছড়িতে বিজিবির ৩ দিনের রুদ্ধদ্বার অভিযান সমাপ্ত ! দায়িত্ব পালনে বিএনপি প্রার্থীর সহযোগীতা চাইলেন আ.লীগের নির্বাচিত মেয়র সেলিম সাতছড়িতে অভিযান : ‘উদ্ধার হওয়া রকেট লাঞ্চারের গোলাগুলো খুব ‘বিপজ্জনক’ সাতছড়ি উদ্যানে ১৮টি রকেট লাঞ্চারের গোলাবারুদ উদ্ধার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অস্ত্রের সন্ধানে বিজিবির অভিযান ! ‘বীর উত্তম’ হচ্ছে বীরত্বের জন্য রাষ্ট্রীয় খেতাব ইচ্ছে করলেই কেড়ে নেয়া যায় না – মিজান

ঢাকা থেকে অপহরণ অতঃপর হবিগঞ্জে উদ্ধার : আটক ২

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট / ২০২ বার পঠিত
জাগো নিউজ : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ঢাকা থেকে অপহৃত এক ব্যক্তিকে হবিগঞ্জের একটি আবাসিক হোটেল থেকে তিনদিন পর উদ্ধার করেছে হবিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় মুক্তিপণের টাকাসহ দুই অপহরণকারীকে আটক করা হয়।

শুক্রবার দুপুরে হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সভাকক্ষে প্রেস বিফিংয়ের মাধ্যমে সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা। এর আগে বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে শহরের সিনেমা হল রোড এলাকার আবাসিক হোটেল ‘পলাশ’ থেকে অপহৃতকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ব্যক্তি ঢাকা তেজগাঁও ‘সিভিল এভিয়েশন স্কুল এন্ড কলেজের’ ক্লিনার আলতাফ হোসেন (৩৮)।

আটককৃতরা হল- হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের আজদু মিয়ার ছেলে মনিরুল ইসলাম মনির (২৪) ও একই গ্রামের বাতিন মিয়ার ছেলে হাবিব মিয়া (২০)।

অতিরিক্তি পুলিশ সুপার বলেন, ঢাকা তেজগাঁও ‘সিভিল এভিয়েশন স্কুল এন্ড কলেজের’ ক্লিনার আলতাফ হোসেনের মোবাইলের বিকাশ একাউন্টে ১ লাখ টাকা রয়েছে জানতে পেরে তাকে অপহরণের পরিকল্পনা করে পূর্ব পরিচিত শরবত বিক্রেতা মনিরুল ইসলাম।
গত ৩১ আগস্ট আলতাফ হোসেনকে অপহরণ করে হবিগঞ্জ নিয়ে আসে আটককৃত দুই অপহরণকারী। পরদিন ১ সেপ্টেম্বর আলতাফ হোসেনের মোবাইল নাম্বার থেকে তার পরিবারের কাছে ফোন করে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। এ সময় আলতাফ হোসেনের স্ত্রী মোছা. রাশেদা বেগম বিষয়টি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে অবহিত করেন এবং ২ সেপ্টেম্বর তেজগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

এদিকে, অপহরণকারীরা মুক্তিপণের জন্য বারবার আলতাফ হোসেনের পরিবারকে ফোন করে এবং দ্রুত মুক্তিপণ না দিলে তাকে খুন করার হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে আলতার হোসেনের পরিবার ধার-কর্জ করে অপহরণকারীদের বিকাশ নাম্বারে ১০ হাজার টাকা পাঠায়। কিন্তু এই ১০ হাজার পাওয়ার পর তারা আবারও ৫০ হাজার টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। কোন উপায় না পেয়ে আলতাফ হোসেনের পরিবারের লোকজন হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারকে অবগত করেন। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে হবিগঞ্জ গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে শহরের আবাসিক হোটেল ‘পলাশ’ থেকে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় দুই অপহরণকারীকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে মুক্তিপণের ১০ হাজার টাকাও জব্দ করে পুলিশ।

এ ব্যাপারে অপহৃতের জামাতা মো. তুহিন চৌধুরী বাদি হয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানায় পুলিশ।

অপরদিকে, অপহরণ করে হোটেল ‘পলাশে’ রাখলেও কিছু জানে না বলে জানায় হোটেল কর্তৃপক্ষ। এমনকি তারা অপহরণকারীদের জাতীয় পরিচয়পত্রসহ কোন ধরণের কাগজপত্রও রাখেনে। বিষয়টি নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।


অন্যান্য সংবাদ
Theme Created By ThemesDealer.Com
error: কপি করা নিষেধ !
error: কপি করা নিষেধ !