Logo
শিরোনাম :
করগাঁওয়ে এবার নৌকার মাঝি বজলুর রহমান নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন পেলেন হাবিব গজনাইপুরে দলীয় মনোনয়ন: মুকুল আউট, সাবের ইন! পানিউমদায় এবারও নৌকা পেলেন বর্তমান চেয়ারম্যান ইজাজুর নবীগঞ্জে নৌকা পেলেন যারা দেবপাড়া ইউনিয়নে আ.লীগের মনোনয়ন পেতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই : প্রচারনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী গ্রিসে বাংলাদেশিদের অপ্রত্যাশিত মৃত্যু বাড়ছে, বেশির ভাগ মৃত্যুর কারণ হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক দেবপাড়া ইউপিতে আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী নুরুল শরীফের দলীয় ফরম দাখিল নবীগঞ্জে যুবকের লাশ উদ্ধার, খুলছে না রহস্যের জট! দুইগ্রামের সাথে আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী নুরুল শরীফ হুদার মতবিনিময়

কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী

ন্যাশনাল ডেস্ক
জাগো নিউজ : সোমবার, জুন ১৫, ২০২০

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এবং ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহর মৃত্যুতে সংসদে আনা শোক প্রস্তাবে আলোচনা করতে গিয়ে কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজনৈতিক জীবনে চলার পথ সহজ ছিল না, উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বারবার বাধা (পেয়েছি), কিন্তু যে কজন মানুষ সব সময় খুব পাশে থেকেছেন, প্রতিটি ক্ষেত্রে সমর্থন দিয়েছেন, তাদের দুজন মানুষকে একসঙ্গে হারালাম, এটা সবচেয়ে কষ্টের।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রেস উইংয়ের উপ প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার ফেসবুক পোস্টে এ কথা লেখেন।

হাসান জাহিদ পোস্টে লেখেন, দুই দিন বিরতির পর আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু হয়। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশনে চলতি সংসদের সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংসদনেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংসদীয় রেওয়াজ অনুযায়ী অধিবেশনের শুরুতে সম্পূরক কার্যসূচি শোক প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করেন স্পিকার। তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিমের জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরেন। এ সময় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহর জীবনবৃত্তান্তসহ শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এরপর মোহাম্মদ নাসিমের জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে মোহাম্মদ নাসিমের পিতা জাতীয় চার নেতার একজন এম মনসুর আলীর কথা স্মরণ করেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘আমি যখন দেশে ফিরি মোহাম্মদ নাসিম একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন। আমি যখন দেশে ফিরে আসি তখন একটা প্রচেষ্টা ছিল এ শহীদ পরিবারগুলোর ছেলেমেয়েদের একসঙ্গে নিয়ে আসা। আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং শক্তিশালী করা। এ কাজ করতে গিয়ে নাসিম ভাইকে সব সময় আমার পাশে পেয়েছি।’

এ সময় বিভিন্ন শাসনামলে মোহাম্মদ নাসিমের ওপরে নির্যাতনের বর্ণনা করতে গিয়ে বারবার আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খুব দুঃখজনক… আসলে আমার জন্য খুব কষ্টকর হচ্ছে বলতে, এভাবে সবাইকে হারানো খুবই দুঃখজনক।’

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি (দেশে ফিরে) আসার পর থেকেই আবদুল্লাহ সাহেবকে পেয়েছি, মণি (শেখ ফজলুল হক মণি) ভাইয়ের সঙ্গে তিনি ছিলেন। আমার নির্বাচন পরিচালনাই শুধু নয়, আমার নির্বাচনী এলাকার সম্পূর্ণ দেখাশোনা তাকে করতে হতো। রাজনীতিতে অনেক কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে গোপালগঞ্জবাসী। যখনই যারা ক্ষমতায় এসেছে, সেটা জিয়াউর রহমান, এরশাদ, খালেদা জিয়া; তাদের যেন একটা লক্ষ্যই ছিল গোপালগঞ্জের ওপরে হাত দেওয়ার চেষ্টা। আমাদের বহু নেতা–কর্মী নির্যাতিত হয়েছেন, তাদের ওপর অকথ্য অত্যাচার হয়েছে। সেই দুঃসময়গুলোতে সংগঠনকে ধরে রাখা, সংগঠনের নেতা–কর্মীদের দিকে নজর দেওয়া, এ কাজগুলো অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে করে গেছেন আবদুল্লাহ সাহেব।’

শোক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নেন মতিয়া চৌধুরী, মুস্তফা লুৎফুল্লাহ, হাবিবে মিল্লাত ও মৃণাল কান্তি দাস।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য সংবাদ
ThemeCreated By ThemesDealer.Com
x
error: কপি করা নিষেধ !
x
error: কপি করা নিষেধ !