Logo
শিরোনাম :
জনগণের অংশগ্রহণে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে- ডাঃ মুশফিক হোসেন হবিগঞ্জে চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে মানববন্ধন শায়েস্তাগঞ্জে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু ইউএনও’কে দেখে বাল্য বিয়ের অনুষ্ঠান রূপ নিলো মিলাদ মাহফিলে ! ইনাতগঞ্জে কুড়েরপাড় গ্রামবাসীর সাথে চেয়ারম্যান প্রার্থী নোমান হোসেনের মতিবিনিময় সুনামগঞ্জে চুরির মোটর সাইকেলসহ ৩ জন গ্রেফতার সাংবাদিক হাসনাইন খুরশেদের রম্য উপন্যাস ‘আমাদের খালেক ভাই’ বাজারে দিনারপুরে চেয়ারম্যান-মেম্বারের নেতৃত্বে সরকারি গাছ কর্তন ! কোন বয়সে শিশুর কতটুকু ঘুম প্রয়োজন হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি আবু জাহির করোনায় আক্রান্ত

অভিনেত্রী হতে চেয়েছিলেন ডা. সাবরিনা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট / ৩১৮ বার পঠিত
জাগো নিউজ : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০

তিনি বাংলাদেশের অন্যতম নারী কার্ডিয়াক সার্জন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। এই নামেই ২০১৬ সালে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন দেশের একটি টেলিভিশন চ্যানেলের অনলাইন পোর্টালে। সেখানে বলেছিলেন নিজের মনের অনেক কথা। বলেছিলেন চিত্রনায়িকা হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়েছেন চিকিৎসক। সুনাম কুড়িয়েছেন। যদিও সেই সুনামের তরী এখন ডুবে গেছে।

ডা. সাবরিনা সাক্ষাৎকারে বলেন, আমি নায়িকাও হতে চেয়েছিলাম একসময়। হা হা হা। তবে বাবার কড়া শাসনের কারণে আর সেটি হয়ে ওঠেনি। নায়িকা হওয়ার জন্য প্রস্তাবও পেয়েছিলাম। লুকিয়ে অভিনয়ের রিহার্সেলে যেতাম। তবে যেদিন ফাইনাল শুটিং হবে সেদিন বাবা বুঝে গেলেন সবকিছু। আমার আর অভিনয় করা হলো না।

চাকরি পাওয়ার পর আমার প্রথম পোস্টিং হয় দিনাজপুরের এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে। এমন একটি জায়গা ছিল, যেখানে কাটাকুটি করার মতো কোনো যন্ত্র নেই। কোনো রকমে কিছু ওষুধ আসত। সেখানে থেকে আমার মনে হয়েছে এসব জায়গাগুলো উন্নত করা যায়, তাহলে অনেক চিকিৎসক গিয়ে কাজ করত। তবে নেই বলেই কাজ করার সুযোগ সেসব জায়গায় কম। এরপর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে বদলি হই। এখন কাজ করছি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে।

সাবরিনা দেশের অন্যতম নারী কার্ডিয়াক সার্জন। এ প্রসঙ্গে বলেন, সারা বিশ্বেই নারী কার্ডিয়াক সার্জনের সংখ্যা কম। যেখানেই গিয়েছি অনেক সমাদর পেয়েছি। বাংলাদেশের মতো একটি দেশে নারী কার্ডিয়াক সার্জন রয়েছে এটি ভেবে অনেকেই খুব অবাক হয়েছেন।

করোনা মহামারিতে মানুষের জীবন নিয়ে নির্মম প্রতারণায় নাম উঠে আসা ডা. সাবরিনা এ চৌধুরী সরকারি একটি হাসপাতালে চাকরির পাশাপাশি জেকেজির চেয়ারম্যান। তিনি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসক। পাশাপাশি তিনি জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান। আর তাঁর স্বামী আরিফ চৌধুরী প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। আজ গ্রেপ্তার হয়েছেন তিনি।


অন্যান্য সংবাদ
Theme Created By ThemesDealer.Com
error: কপি করা নিষেধ !
error: কপি করা নিষেধ !